সাহিত্য সঞ্চয়ন
কোনি
ব্যাকরণ
প্রতিবেদন
সংলাপ
বঙ্গানুবাদ
প্রবন্ধ
আশাপূর্ণা দেবী
আশাপূর্ণা দেবী (১৯০৯-১৯৯৫): অন্যতম প্রধান বাঙালি লেখিকা। জন্ম কলকাতায়। স্কুল-কলেজে পড়ার সুযোগ ঘটেনি। অথচ অসামান্য সূক্ষ্ম দৃষ্টি, সংবেদনশীলতা ও পরিচিত সমাজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তিনি বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনকে আশ্চর্য দক্ষতায় তার গল্প-উপন্যাসে তুলে ধরেছিলেন। তিনি দীর্ঘ জীবনে অসংখ্য উপন্যাস, গল্প এবং ছোটোদের জন্য অজস্র বই লিখেছেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য 'ছোট ঠাকুরদার কাশীযাত্রা', 'প্রথম প্রতিশ্রুতি', 'সুবর্ণলতা', 'বকুলকথা', 'অগ্নিপরীক্ষা', 'সাগর শুকায়ে যায়', 'শশীবাবুর সংসার', 'সোনার হরিণ' ইত্যাদি। তাঁর রচিত অন্তত ৬৩টি গ্রন্থ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি 'রবীন্দ্র পুরস্কার', 'সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার', 'জ্ঞানপীঠ পুরস্কার', একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ডি. লিট' এবং নানা সরকারি খেতাবে ভূষিত হয়েছেন।
পাবলো নেরুদা
পাবলো নেরুদা (১৯০৪-১৯৭৩): প্রখ্যাত কবি, কূটনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ পাবলো নেরুদা চিলির সীমান্ত শহর পারলেতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম নেকতালি রিকার্দো রেয়েন্স বাসোয়ালতো। 'পাবলো নেরুদা' নামটির উৎস চেক লেখক জাঁ নেরুদা এবং পাবলো নামটির সম্ভাব্য উৎস পাবলো পিকাসো। মানুষের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে তিনি যেমন কবিতা লিখেছেন, তেমনই লিখেছেন ঐতিহাসিক মহাকাব্য, প্রকাশ্য রাজনৈতিক ইস্তাহার। ১৯২৭ সালে চিলির সরকার তাঁকে রাষ্ট্রদূত করে রেঙ্গুনে পাঠায়। এ পদে থেকে তিনি চিন, জাপান, কলম্বোসহ ভারতেও আসেন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। চিলিতে অগাস্তো পিনোচেতের নেতৃত্বাধীন সামরিক অভ্যুত্থানের সময় ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হন নেরুদা। তিনদিন পরেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি পরলোক গমন করেন। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে- 'কুড়িটা প্রেমের কবিতা এবং একটি হতাশার গান', 'এ পৃথিবীর আবাসভূমি', 'প্রাণের স্পেন', 'বিশ্বসংগীত', 'চিলির পাথর', 'হোয়াকিন মুরিয়েতার গরিমা ও মৃত্যু', 'ক্যাপ্টেনের কবিতা', 'শীতের বাগিচা' ইত্যাদি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Lorem ipsum dolor sit amet consectetur adipiscing elit dolor
শঙ্খ ঘোষ
শঙ্খ ঘোষ (১৯৩২):, অধুনা বাংলাদেশের বরিশালে। আধুনিক বাংলাসাহিত্যের একজন প্রধান কবি, প্রাবন্ধিক, অধ্যাপক।
পড়াশুনো প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'দিনগুলি রাতগুলি'। 'নিহিত পাতাল ছায়া', 'বাবরের প্রার্থনা', 'পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ', 'জলই পাষাণ হয়ে আছে', 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে', 'মূর্খ বড়ো, সামাজিক নয়', 'ধুম লেগেছে হৃৎ কমলে', 'গোটা দেশজোড়া জউঘর', 'প্রতি প্রশ্নে কেঁপে ওঠে ভিটে', 'হাসিখুশি মুখে সর্বনাশ' ইত্যাদি। ছোটোদের জন্য লিখেছেন- 'ছোট্ট একটা স্কুল', 'অল্পবয়স কল্পবয়স', 'সকালবেলার আলো', 'সুপুরিবনের সারি', 'শহর পথের ধুলো' ইত্যাদি। 'কুন্তক' ছদ্মনামে লিখেছেন 'শব্দ নিয়ে খেলা' ও 'কথা নিয়ে খেলা'। প্রবন্ধের বই হিসেবে 'কালের মাত্রা ও রবীন্দ্র নাটক', 'ছন্দোময় জীবন', 'ভিন্ন রুচির অধিকার', 'এই শহরের রাখাল', 'ঐতিহ্যের বিস্তার', 'এ আমির আবরণ', 'ছন্দের বারান্দা' ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। কবির প্রাপ্ত নানা পুরস্কারের মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, রবীন্দ্র পুরস্কার, কবীর সম্মান, সরস্বতী সম্মান এবং পদ্মভূষণ।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Lorem ipsum dolor sit amet consectetur adipiscing elit dolor